শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও আজকের
বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড.কামাল হোসেন দলীয়
মর্তাদশের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্যের
ভিত্তিতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জাতীয়
স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
শ্রদ্ধা নিবেদনের আহবান জানিয়েছেন।
‘স্বাধীনতা প্রজন্ম বাংলাদেশ’ সংগঠনের প্রধান
সমন্বয়কারী এসএম সায়মন কামালীর
সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন
নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল,
অধ্যাপক ড.সুকমল বড়ুয়া, সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবী নাসির উদ্দিন অসীম, এনডিপির যুগ্ন
মহাসচিব মো.মঞ্জুর হোসেন ইসা প্রমুখ।
আলোচনা সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ৫
জানুয়ারির নির্বাচনের পর এই সরকার স্বনির্বাচিত।
এটা জায়েজ করার জন্য সারাবিশ্ব থেকে সার্টিফিকেট
আনা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে কি দেশ চলতে পারে?
জনগণ এই সরকারকে পছন্দ করে না, কিন্ত
তারপরেও তারা প্রতিবাদে রাস্তায় নামছে না।
যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের
জানাযা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একাত্তরের গোলাম
আযমের ভুমিকা শুধু বিতর্কিতই নয়।
জামায়াতকে নেতৃত্ব দিয়ে হত্যা, গণহত্যাসহ
নানা অপরাধ করেছে এটা অস্বীকার করার কোন উপায়
নেই। কিন্তু এখন তার জানাযায় যদি ১৫ লাখও হয়,
তবে কি সে নির্দোষ হয়ে যাবে। এটা কখনই হবে না।
গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের
চেতনাকে ধরে রাখতে হলে জনগণকেই সোচ্ছার
হতে হবে।
বক্তৃতায় ড.কামাল হোসেন বলেন,
জাতি হিসেবে মৌলিক বিষয়ে ঐক্যমত ছিলাম, আছি,
থাকব। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন দল ও বিভিন্ন মত
থাকবে। কিন্তু ইতিহাসের মৌলিক বিষয়ে কোন
ভিন্নমতের অবকাশ নেই। আসুন জাতির শ্রেষ্ঠ
সন্তানদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে ১৬ ডিসেম্বর
স্মৃতিসৌধে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাই। যাদের
আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে।
দলীয় ব্যানারে যারা যাবেন, তারা যেতে পারেন। কিন্তু
আমরা জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতেই সেখানে যাব।
ড.কামাল হোসেন আরও বলেন,সংবিধান কোন দলের
নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে এই সংবিধান
প্রনয়ন করা হয়েছে। সংবিধানের মৌলিক নীতির
বিষয়ে কারও কোন ভিন্নমত নেই। গণতন্ত্র
নির্ভেজাল। এ জন্য নির্বাচন পদ্ধতি অবাধ নিরপেক্ষ
থাকতে হবে। গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট দেওয়া নয়।
দলীয় ভিত্তিতে যারা কালো টাকার
পৃষ্ঠপোষকতাকে মুল্যায়ন করে প্রাথী মনোনায়ন
করেন,তাদেরকে চিনতে হবে। দুই দলেই এ অবস্থার
বিরাজ করছে।
আসিফ নজরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বড়
স্তম্ভ গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্রও ভুলণ্ঠিত হওয়ার
পথে। এই নিয়ে যারা কথা বলে তাদের বলা হয়
স্বাধীনতাবিরোধী। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমারাই
স্বাধীনতার পক্ষের। বরং যারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন,
ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট, হত্যা,
গুমের বিরোধীতা করেনা তারাই স্বাধীনতাবিরোধী।

বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড.কামাল হোসেন দলীয়
মর্তাদশের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্যের
ভিত্তিতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জাতীয়
স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
শ্রদ্ধা নিবেদনের আহবান জানিয়েছেন।
‘স্বাধীনতা প্রজন্ম বাংলাদেশ’ সংগঠনের প্রধান
সমন্বয়কারী এসএম সায়মন কামালীর
সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন
নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল,
অধ্যাপক ড.সুকমল বড়ুয়া, সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবী নাসির উদ্দিন অসীম, এনডিপির যুগ্ন
মহাসচিব মো.মঞ্জুর হোসেন ইসা প্রমুখ।
আলোচনা সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ৫
জানুয়ারির নির্বাচনের পর এই সরকার স্বনির্বাচিত।
এটা জায়েজ করার জন্য সারাবিশ্ব থেকে সার্টিফিকেট
আনা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে কি দেশ চলতে পারে?
জনগণ এই সরকারকে পছন্দ করে না, কিন্ত
তারপরেও তারা প্রতিবাদে রাস্তায় নামছে না।
যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের
জানাযা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একাত্তরের গোলাম
আযমের ভুমিকা শুধু বিতর্কিতই নয়।
জামায়াতকে নেতৃত্ব দিয়ে হত্যা, গণহত্যাসহ
নানা অপরাধ করেছে এটা অস্বীকার করার কোন উপায়
নেই। কিন্তু এখন তার জানাযায় যদি ১৫ লাখও হয়,
তবে কি সে নির্দোষ হয়ে যাবে। এটা কখনই হবে না।
গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের
চেতনাকে ধরে রাখতে হলে জনগণকেই সোচ্ছার
হতে হবে।
বক্তৃতায় ড.কামাল হোসেন বলেন,
জাতি হিসেবে মৌলিক বিষয়ে ঐক্যমত ছিলাম, আছি,
থাকব। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন দল ও বিভিন্ন মত
থাকবে। কিন্তু ইতিহাসের মৌলিক বিষয়ে কোন
ভিন্নমতের অবকাশ নেই। আসুন জাতির শ্রেষ্ঠ
সন্তানদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে ১৬ ডিসেম্বর
স্মৃতিসৌধে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাই। যাদের
আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে।
দলীয় ব্যানারে যারা যাবেন, তারা যেতে পারেন। কিন্তু
আমরা জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতেই সেখানে যাব।
ড.কামাল হোসেন আরও বলেন,সংবিধান কোন দলের
নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে এই সংবিধান
প্রনয়ন করা হয়েছে। সংবিধানের মৌলিক নীতির
বিষয়ে কারও কোন ভিন্নমত নেই। গণতন্ত্র
নির্ভেজাল। এ জন্য নির্বাচন পদ্ধতি অবাধ নিরপেক্ষ
থাকতে হবে। গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট দেওয়া নয়।
দলীয় ভিত্তিতে যারা কালো টাকার
পৃষ্ঠপোষকতাকে মুল্যায়ন করে প্রাথী মনোনায়ন
করেন,তাদেরকে চিনতে হবে। দুই দলেই এ অবস্থার
বিরাজ করছে।
আসিফ নজরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বড়
স্তম্ভ গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্রও ভুলণ্ঠিত হওয়ার
পথে। এই নিয়ে যারা কথা বলে তাদের বলা হয়
স্বাধীনতাবিরোধী। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমারাই
স্বাধীনতার পক্ষের। বরং যারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন,
ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট, হত্যা,
গুমের বিরোধীতা করেনা তারাই স্বাধীনতাবিরোধী।

No comments:
Post a Comment